Showing posts with label Motivation. Show all posts
Showing posts with label Motivation. Show all posts
Wednesday, November 13, 2024
Sunday, May 31, 2020
Shibber got GPA 5 in SSC
We are glad to inform you that Md. Shibber Mia got GPA 5 in SSC Exam this Year from Science.
He got scholarship from One Taka Fund and inshallah we will try our best to continue his scholarship until his entire study life. It is very happy day for One Taka Fund so today we will not discuss about his struggle of life to achieve such result.
Thursday, December 5, 2019
ধন্যবাদ, আপনাদের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ
হাঁটি হাঁটি পা পা করে যাত্রা শুরু করা ওয়ান টাকা ফান্ড
এখন পর্যন্ত ২৬৭ জন ডোনারের মাধ্যমে ৭৭৭ জন সদস্যের ১,৩২,১১০/= (এক লক্ষ বত্রিশ হাজার একশত দশ) টাকা সংগ্রহ করে ৫,৬৮,৪৪০/=(পাঁচ লক্ষ আটষট্টি হাজার চারশত
চল্লিশ)টাকা ৫৫জন সংগ্রামী মানুষের মাঝে সফলভাবে বন্টন করেছে যার মধ্যে ৪০ টি পরিবার পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়িয়েছে! সবার ঐকান্তিক
প্রচেষ্টায় তৈরি হয়েছে “স্টোরিজ অফ হ্যাপিনেস” যার অংশীদার আজ আপনারা সকলে। আর এই
সফলতা গুলোকে অবলম্বন করে ওয়ান টাকা ফান্ড আজ তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে আর তার
স্বপ্নের ও পরিব্যাপ্তি ঘটেছে।
সম্মানিত ডোনারদের ডোনেশন গুলোর যাথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে
শুরু থেকেই আমাদের প্রচেষ্টা ছিলো যোগ্য ব্যক্তির সন্ধান করে সেটি তার কাছে পৌঁছে
দেয়া। সেজন্য প্রজেক্ট ডাইভারসিফিকেশন করেছি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে। যার
ফলশ্রুতিতে ওয়ান টাকা ফান্ড এর গ্রহীতাগনের মধ্যে ৪০ টি পরিবারের কেউ কেউ আজ
রিক্সার মালিক হয়েছেন, কেঊ ঋণের সুদের বোঝা থেকে মুক্তি পেয়েছেন, বন্ধক রাখা অলঙ্কার ফিরে
পেয়েছেন, কেউ করছেন সব্জির ব্যবসা, কাপড়ের ব্যবসা কিংবা দুধের ব্যবসা,চটপটির দোকান, ভার্সিটির টিউশন ফি,ভর্তি ফি,মুদির দোকান,সেলাই
মেশিন,তেল বীজের ব্যবসা, পিঠার
ব্যবসা, কিংবা গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ, এমন কি
জমির মালিক বনে যাওয়া আরো কত কি! যে
পরিবার গুলো নিত্যদিন দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্প ছিলো
অধরা সেখানে আজ তাঁদের সফলভাবে ঘুরে দাঁড়ানো দেখে আমরা বিস্মিত। তাঁদের
অসামান্য সংগ্রামী জীবনের সফলতার অংশ
হতে পেরে আমরা গর্বিত।
একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আপনাদের সকলের যে অকুন্ঠ
সমর্থন আর সহযোগিতা পেয়েছি তার জন্য সকলের কাছে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ ওয়ান টাকা ফান্ড এর সকল সদস্যবৃন্দকে।
Saturday, August 3, 2019
Great News for One Taka Fund
Four Members of One Taka Fund declared that they will continue their donation to One Taka Fund .
Our Policy was to collect donation from members just for 6months/180days (daily one taka). But they want to continue their donation to One Taka Fund for Helping others.
We are Thankful to all of them for their Trust in One Taka Fund to help others.
| Donor # | Name | Donated For |
| 98th | Mahmudul Hasan Sohan | 12Months |
| 232nd | Babar Md. Khalid Akbar | 12Months |
| 235th | Ashraf Hasan | 12Months |
| 240th | Rahnuma Tarannum | 18Months |
Our Policy was to collect donation from members just for 6months/180days (daily one taka). But they want to continue their donation to One Taka Fund for Helping others.
We are Thankful to all of them for their Trust in One Taka Fund to help others.
Monday, January 8, 2018
Happiness
Once a group of 50 people was attending a seminar. Suddenly the
speaker stopped and decided to do a group activity. He started giving
each one a balloon. Each one was asked to write his/her name on it using
a marker pen. Then all the balloons were collected and put in another
room.
Now these delegates were let in that room and asked to find the balloon which had their name written, within 5 minutes. Everyone was frantically searching for their name, colliding with each other, pushing around others and there was utter chaos.
At the end of 5 minutes no one could find their own balloon.
Now each one was asked to randomly collect a balloon and give it to the person whose name was written on it. Within minutes everyone had their own balloon.
The speaker began— exactly this is happening in our lives. Everyone is frantically looking for happiness all around, not knowing where it is.
Our happiness lies in the happiness of other people. Give them their happiness; you will get your own happiness.
Now these delegates were let in that room and asked to find the balloon which had their name written, within 5 minutes. Everyone was frantically searching for their name, colliding with each other, pushing around others and there was utter chaos.
At the end of 5 minutes no one could find their own balloon.
Now each one was asked to randomly collect a balloon and give it to the person whose name was written on it. Within minutes everyone had their own balloon.
The speaker began— exactly this is happening in our lives. Everyone is frantically looking for happiness all around, not knowing where it is.
Our happiness lies in the happiness of other people. Give them their happiness; you will get your own happiness.
And this is the purpose of human life.
Sunday, January 7, 2018
Sunday, December 24, 2017
Wednesday, November 22, 2017
Monday, November 20, 2017
TMSS
১৯৮০
সালে ভিক্ষুকদের মুষ্টি চালের মাধ্যমে ড. হোসনে আরা বেগমের গড়া ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ(TMSS) এখন
সারা বিশ্বের বিস্ময়।
ড. হোসনে আরা বেগম জানান, ‘১২৬ জন মহিলাদের একটি সংগঠন একদিন আমার সঙ্গে দেখা করতে এলো। ওদের বেশিরভাগ ভিক্ষুক। কেউ কেউ দেহকর্মী। ওরা বলল, আমরা মানুষের বাড়িতে ঝি-চাকরের কাজ করি। তাদের ঘর মুছে দেই, ঝাড়ু দেই। কাজে সামান্য গাফিলতি হলে ওরা আমাদের কিল-ঘুষি মারতে আসে। কিন্তু আমরা কি খাই, কিভাবে থাকি, সেই খবর ওরা রাখে না। এখন আপনিই পারেন আমাদের উদ্ধার করতে।’ হোসনে আরা এদের ঐক্যবদ্ধ করলেন। বললেন, ‘স্বাবলম্বী হতে হলে আমাদের মধ্যে ঐক্যগঠন করতে হবে। শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে। যদি কেউ বড় হতে চায়, সেই জন্য নিজের মধ্যে স্বপ্ন সৃষ্টি করতে হবে।’
১২৬ জন ভিক্ষুকের মুষ্টির ২০৬ মণ চাল নিয়ে শুরু করা সেই সংঘের এখন মোট সম্পদের পরিমাণ ১৫ হাজার কোটি টাকা। বেতনভুক্ত জনবল ৩১ হাজার। উপকারভোগী পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫৩ লাখ। টিএমএসএসের আছে হাজার বেডের হাসপাতাল, ৫টি প্রাইমারি স্কুল, সরকার অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩২টি, শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ২৪টি, পাঁচতারা হোটেল কাম রিসোর্ট আছে একটি, উন্নতমানের হোটেল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে ৩০টি। হেলিকপ্টার আছে দুটি। রিয়েল এস্টেট এপার্টমেন্ট আছে। আছে মেডিকেল কলেজ, নার্সিং কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম, সিএনজি লিমিটেডসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান।
ড. হোসনে আরা বেগম বর্তমান ব্যস্ততা ওনার এলাকায় বগুড়াতে একটি আন্তর্জাতিক মানের থিম পার্ক স্থাপনের বিষয়ে। ওয়াশিংটন ও ফ্লোরিডায় কয়েকটি আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে এই ব্যাপারে কথা বলেছেন তারা। আঠারোশ শতক একরের ওপর এই থিম পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হবে।
ড. হোসনে আরা বেগমের দুরদর্শী নেতৃত্বের ফসল বগুড়ার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের নামে সৃষ্ট ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের বিশ্বময় পরিচিতি। তার দুরদর্শীতার আরো একটি প্রমাণ মিলল আরেকটি ঘটনায়। কক্সবাজারে দি প্রিন্সেস নামে তাঁর ফাইভ স্টার হোটেলে পর্যটকদের বিনামূল্যে থাকার সুযোগ করে দেবেন তিনি। তাদের কাজ হবে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবেতর জীবন যাপন স্বচক্ষে দেখা। এই কাজটি তিনি মানবিক দৃষ্টভঙ্গি নিয়ে করলেও, এর পিছনে একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যও আছে। ফিলিস্তিনের রামাল্লায় প্রতিবছর বহু মানুষ যায় শরণার্থী প্যালেস্টাইনিদের দেখতে। বাংলাদেশেও এখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা দশলাখের ওপরে। তাদের ঘিরে বিশ্বমিডিয়ার ব্যাপক আগ্রহ। তাই তাদের বোঝা মনে না করে রোহিঙ্গাদের ঘিরে এভাবে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ আছে বাংলাদেশের। বেসরকারিভাবে সেই উদ্যোগই নিয়েছে টিএমএসএস। বগুড়ার গর্ব প্রাচীন পুন্ড্র নগরের সভ্যতা পরিদর্শনের ব্যবস্থা আছে টিএমএসএসের।
এত অর্জনের পরে অত্যন্ত সাধাসিধে পোশাকে ঘরোয়া জীবনযাপন ড. হোসনে আরা বেগমের। বড় বোনের মেয়ে আয়শা বেগম, যিনি টিএমএমএসের কোষাধ্যক্ষও, যিনি তাঁর সার্বক্ষণিক সঙ্গী। জীবনের বহু উত্থান-পতন আর বাঁক পরিবর্তনেও তিনি নিজের সাদামাটা-আন্তরিক রূপটি পরিহার করেননি। ভুলে যাননি বাংলাদেশের বঞ্চিত নারীদের কথা। যে কারণে তাঁর সংগঠনের সব সদস্যই নারী।
ড. হোসনে আরা বেগমের গড়া ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ শুধু সেই দিনই না, আজো আছে সেই বিপন্ন নারীদের পাশে, আগামীতেও থাকবে।
more details
ড. হোসনে আরা বেগম জানান, ‘১২৬ জন মহিলাদের একটি সংগঠন একদিন আমার সঙ্গে দেখা করতে এলো। ওদের বেশিরভাগ ভিক্ষুক। কেউ কেউ দেহকর্মী। ওরা বলল, আমরা মানুষের বাড়িতে ঝি-চাকরের কাজ করি। তাদের ঘর মুছে দেই, ঝাড়ু দেই। কাজে সামান্য গাফিলতি হলে ওরা আমাদের কিল-ঘুষি মারতে আসে। কিন্তু আমরা কি খাই, কিভাবে থাকি, সেই খবর ওরা রাখে না। এখন আপনিই পারেন আমাদের উদ্ধার করতে।’ হোসনে আরা এদের ঐক্যবদ্ধ করলেন। বললেন, ‘স্বাবলম্বী হতে হলে আমাদের মধ্যে ঐক্যগঠন করতে হবে। শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে। যদি কেউ বড় হতে চায়, সেই জন্য নিজের মধ্যে স্বপ্ন সৃষ্টি করতে হবে।’
১২৬ জন ভিক্ষুকের মুষ্টির ২০৬ মণ চাল নিয়ে শুরু করা সেই সংঘের এখন মোট সম্পদের পরিমাণ ১৫ হাজার কোটি টাকা। বেতনভুক্ত জনবল ৩১ হাজার। উপকারভোগী পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫৩ লাখ। টিএমএসএসের আছে হাজার বেডের হাসপাতাল, ৫টি প্রাইমারি স্কুল, সরকার অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩২টি, শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ২৪টি, পাঁচতারা হোটেল কাম রিসোর্ট আছে একটি, উন্নতমানের হোটেল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে ৩০টি। হেলিকপ্টার আছে দুটি। রিয়েল এস্টেট এপার্টমেন্ট আছে। আছে মেডিকেল কলেজ, নার্সিং কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম, সিএনজি লিমিটেডসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান।
ড. হোসনে আরা বেগম বর্তমান ব্যস্ততা ওনার এলাকায় বগুড়াতে একটি আন্তর্জাতিক মানের থিম পার্ক স্থাপনের বিষয়ে। ওয়াশিংটন ও ফ্লোরিডায় কয়েকটি আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে এই ব্যাপারে কথা বলেছেন তারা। আঠারোশ শতক একরের ওপর এই থিম পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হবে।
ড. হোসনে আরা বেগমের দুরদর্শী নেতৃত্বের ফসল বগুড়ার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের নামে সৃষ্ট ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের বিশ্বময় পরিচিতি। তার দুরদর্শীতার আরো একটি প্রমাণ মিলল আরেকটি ঘটনায়। কক্সবাজারে দি প্রিন্সেস নামে তাঁর ফাইভ স্টার হোটেলে পর্যটকদের বিনামূল্যে থাকার সুযোগ করে দেবেন তিনি। তাদের কাজ হবে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবেতর জীবন যাপন স্বচক্ষে দেখা। এই কাজটি তিনি মানবিক দৃষ্টভঙ্গি নিয়ে করলেও, এর পিছনে একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যও আছে। ফিলিস্তিনের রামাল্লায় প্রতিবছর বহু মানুষ যায় শরণার্থী প্যালেস্টাইনিদের দেখতে। বাংলাদেশেও এখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা দশলাখের ওপরে। তাদের ঘিরে বিশ্বমিডিয়ার ব্যাপক আগ্রহ। তাই তাদের বোঝা মনে না করে রোহিঙ্গাদের ঘিরে এভাবে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ আছে বাংলাদেশের। বেসরকারিভাবে সেই উদ্যোগই নিয়েছে টিএমএসএস। বগুড়ার গর্ব প্রাচীন পুন্ড্র নগরের সভ্যতা পরিদর্শনের ব্যবস্থা আছে টিএমএসএসের।
এত অর্জনের পরে অত্যন্ত সাধাসিধে পোশাকে ঘরোয়া জীবনযাপন ড. হোসনে আরা বেগমের। বড় বোনের মেয়ে আয়শা বেগম, যিনি টিএমএমএসের কোষাধ্যক্ষও, যিনি তাঁর সার্বক্ষণিক সঙ্গী। জীবনের বহু উত্থান-পতন আর বাঁক পরিবর্তনেও তিনি নিজের সাদামাটা-আন্তরিক রূপটি পরিহার করেননি। ভুলে যাননি বাংলাদেশের বঞ্চিত নারীদের কথা। যে কারণে তাঁর সংগঠনের সব সদস্যই নারী।
ড. হোসনে আরা বেগমের গড়া ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ শুধু সেই দিনই না, আজো আছে সেই বিপন্ন নারীদের পাশে, আগামীতেও থাকবে।
more details
Wednesday, November 15, 2017
হামিং বার্ডের গল্প
একটা
বনে আগুন লেগে গেছে। সমস্ত বন তোলপাড়, দিশেহারা প্রাণীরা সব এসে
ভীড় করছে আগুনের চারপাশে। হা-হুতাশ চলছে।
এখন কী হবে? এখন কী হবে? সব তো শেষ। হায় হায়!
এখন কী হবে? এখন কী হবে? সব তো শেষ। হায় হায়!
বনের
পাশেই ছোট্ট এক পাহাড়ী নদী। কোথা থেকে আধ ইঞ্চি সাইজের এক হামিংবার্ড ছুটে এলো
হন্তদন্ত হয়ে-- তার ছোট্ট ঠোঁটে নদী থেকে নিয়ে আসা কিছুটা পানি। ফোঁটায় ফোঁটায় সে
পানি হামিং ঢেলে দিতে লাগলো আগুনে। এরপর আবার ফিরে গেল নদীতে। সেখান থেকে আবার
আগুনে। আবার নদীতে। এভাবে বিন্দু বিন্দু পানিতে সে নেভাতে চাইলো এক ভয়ংকর দাবানল।
প্রকান্ড
দাবানলের সাথে হামিংয়ের এই অসম যুদ্ধ দেখে সবাই অবাক-- পাগল ব্যাটা করে কী? সবচাইতে
ছোট্ট যে পাখি হামিং সে নেভাচ্ছে আগুন? ছু! ছু!
তাচ্ছিল্যভরে একজনের জিজ্ঞাসা -- "তুমি এটা কী করছো হামিং?"।
তাচ্ছিল্যভরে একজনের জিজ্ঞাসা -- "তুমি এটা কী করছো হামিং?"।
ব্যস্ত
ছোট্ট পাখিটির ব্যাকুল উত্তর-- "আমার সামর্থ্যে যতটুকু সম্ভব, আমি ততটুকুই
করছি। এর বেশি করার ক্ষমতা তো আমার নেই। "
আসুন হামিং বার্ডের মতো নিজ
অবস্থান থেকে প্রতিটি কাজের সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করি। তা যত ক্ষুদ্রই হোক। যত
তুচ্ছই হোক।
Subscribe to:
Posts (Atom)






