Wednesday, June 1, 2022

 নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে, এই পরিবারটি সর্বশান্ত হয়েছে। তারপরেও এক চিলতে জমিতে ঘর তুলে, পরিবারটি আবারও নতুন করে স্বপ্ন সাজাচ্ছে।

বর্গাচাষি মানুষটির স্ত্রী বেশ সংসারি। স্বামীর পাশাপাশি সেও মানুষের নিকট থেকে গরু বর্গা নিয়েছে।

আমরা দু'টি ছাগল প্রদান করে এই পরিবারটির স্বপ্নে জাস্ট একটু রঙ ছড়ালাম.. 

গত ৮ই এপ্রিল দুইটি ছাগল উপহার দিয়েছি আমাদের যাকাত ফান্ড থেকে

 

ভদ্রমহিলা একজন পরিশ্রমী মানুষ। গত বছর তাঁকে দুইটি ছাগল দেওয়া হয়। তিনি তাঁর ভালোবাসা মিশ্রিত পরিশ্রম দিয়ে ছাগলের সংখ্যা চারে উন্নিত করেন। এতে আমরা অনেক খুশি হয়েছি। আমাদের টার্গেট ফুলফিল করার জন্য পূর্বে দেওয়া কথা অনুযায়ী এবার(২৪শে এপ্রিল ২০২২) তাঁকে আরেকটি ছাগল প্রদান করা হলো।











আশা করি আগামী বছর তিনি একজন স্বাবলম্বী পরিবারের মানুষ হিসাবে সমাজে গণ্য হবেন...

বিধবা এই ভদ্রমহিলার দু'টি সন্তান। বড় ছেলেটির বয়স মাত্র ১৫। এখনই বখাটের খাতায় নাম তুলেছে। সংসারে সাহায্য তো করেই না। বরং মায়ের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও হার না মানা এই মানুষটি গৃহকর্মীর কাজ করে, বহু কষ্টে সংসার নামক ঘানি টেনে চলেছেন।

গত ১৩ই এপ্রিল ২০২২, আমরা দু'টি ছাগল প্রদান করে এই মানুষটির ঘানি টানার কাজকে একটু সহজ করার জন্য চেষ্টা করেছি মাত্র...!







অন্যের ভাগ্য বদলের প্রচেস্টায় যাকাত ফান্ড

হেল্প(HELP=High Encouragement of Low Performer)->আমাদের ড্রিম প্রোজেক্ট। এর মাধ্যমে আমরা মূলত একটা পরিবারের প্রচেষ্টাতে সামান্য সহায়তা করবো। যাতে তার পরিশ্রমটা স্বার্থক হয়।

এই প্রোজেক্টের মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া পরিবারটিকে আমরা এক বছর পর্যবেক্ষণে রাখবো। এরপর বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আশাকরছি দুই বছরের মধ্যে পরিবারটি 'স্বাবলম্বী পরিবার' হিসাবে সমাজে অবদান রাখবে। 

এই ভদ্রমহিলার দু'টি সন্তান। বড় ছেলেটি বউ-বাচ্চা নিয়ে আলাদা থাকে। মাঝেমধ্যে মায়ের জন্য সামান্য কিছু অর্থ পাঠায়। ছোট ছেলেটি টুকটাক আয় করে। তা দিয়ে কোনোমতে মা-ছেলে দিন পার করছে। ওনার স্বামী অন্য তরফের সাথে বসবাস করে। এই পক্ষের খোঁজ রাখেনা। তবে স্বেচ্ছাসেবকের কাজে ছোট ছেলেটির দারুণ আগ্রহ।
আমরা দু'টি ছাগল প্রদান করে এই ছেলেটির স্বেচ্ছাসেবকের কাজে আগ্রহ বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করেছি জাস্ট...!
পরিবারটি খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে, 'ফ্রি ভলান্টিয়ার্স অব বাংলাদেশ' এর সদস্যরা আমাদের সাহায্য করেছেন। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা...!
*আমরা হেল্প প্রোজেক্টের মাধ্যমে কোনো পরিবারের পুরো দায়িত্ব নিবোনা। শুধু তার পাশে থেকে একটু সাহস যোগাবো, ব্যস!

--------------------------------রাশেদুজ্জামান রণ ভাইয়ের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেয়া----- 

অসংখ্য ধন্যবাদ One Taka Fund এর মহৎপ্রাণ ডোনারদেরকে যারা তাঁদের যাকাতের একটি অংশ আমাদের দিয়েছেন এই বিশ্বাসে যে আমরা কাউকে স্বাবলম্বী করে দিতে চেষ্টা করবো।

গত ১৫ই এপ্রিল,২২ আমরা যাকাত ফান্ড থেকে রণ ভাইয়ের হেল্প প্রোজেক্টের মাধ্যমে উপরোল্লিখিত ভদ্রমহিলাকে দু'টি ছাগল উপহার দিয়েছি। আমরা শুধু অর্থায়ন করেছি, দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে রাশেদুজ্জামান রণ ভাই পরিশ্রম করে যাচ্ছেন অন্যের ভাগ্য বদলের।