One Taka Fund
Happiness is Helping others
Sunday, August 10, 2025
Wednesday, July 16, 2025
নাইম ভাইয়ের বদলে যাওয়া দিন
নাইম
ভাই ঘাসের ব্যবসা করেন মানে ঘাস সংগ্রহ করে বাজারে/পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন।
ঘাস আটি করে বেধে ভ্যানে উঠিয়ে দেন, ভ্যান চালক সেটা পৌঁছে দেন ক্রেতার কাছে।
বিনিময়ে ভ্যান চালককে ভাড়া বাবদ ৪০০/৫০০ টাকা দিতে হয়। এতে আসলে ঘাসের ব্যবসার
লাভের অংশটুকু ভ্যান ভাড়াতেই সিংহভাগ চলে যায়।
তাই নাইম ভাই চাচ্ছিলেন একটা সেকেন্ড হ্যান্ড ভ্যান কিনতে পারলে নিজেই ঘাস ক্রেতার
কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন, এতে সম্পুর্ন লাভটাই নিজের থাকবে।
একটা সেকেন্ড হ্যান্ড ভ্যান কিনতেও এখন ৩০হাজারের মতো প্রয়োজন হয় যা উনার জন্য
ম্যানেজ করা অনেক কঠিন। সমিতির লোন নিয়ে কিনলে সুদ-আসল মিলিয়ে যে টাকা শোধ করতে হয়
তাতে খুব বেশি তফাৎ নেই বর্তমান পরিস্থিতির সাথে।
রাকিবুল হাসানের মাধ্যমে আমরা নাইমের কথা জানতে পেরে প্রস্তাব দেই যে আমরা উনাকে
ভ্যান কেনার টাকাটা লোন হিসেবে দিবো কিন্তু প্রতিদিন ২০০ টাকা ফেরত দিতে হবে। আমরা
এটা বলেছি এই জন্য যে এখনো উনি প্রতিদিন গড়ে ৪০০ টাকা খরচ করেন ভাড়া বাবদ, তাই ২০০
টাকা ফেরত দিতে খুব বেশি সমস্যা হবার কথা না।
কিন্তু উনি মনে করে যেন প্রথমেই রাজি হলেন না আমাদের প্রস্তাবে, উনি চাচ্ছিলেন
প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে ফেরত দিতে, তাই আমরা উনাকে বললাম কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে
এই ক্ষেত্রে।
৩/৪ দিন পর উনি আবার চাইলেন ভ্যান কিনে দেয়ার জন্য, প্রতিদিন ১৫০টাকা ফেরত দিবেন।
আমরা আবারো বললাম উনি কেন ২০০ টাকা করে দিতে পারবেন না এখন যেহেতু উনার প্রতিদিন
৪০০টাকা+ দিতে হয়। উনি কোন যুক্তি দেখাতে না পেরে ২০০টাকাই প্রতিদিন ফেরত দিবেন
বলে রাজি হলেন।
গত ৭ই জুলাই আমরা ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে সকাল সকাল। ওইদিন বিকেলেই ৩১হাজার টাকা
দিয়ে ভ্যান কেনা হয়। যেহেতু ১ হাজার টাকা বেশি লেগেছে আমরা উনাকে বলেছি যেন ১১ই
জুলাই থেকে আমাদের টাকা ফেরত দেয়া শুরু করেন।
আজ ১৬ই জুলাই ৫দিনের টাকা একত্রে ১হাজার টাকা জমা দিয়েছেন।
নাইম ভাইয়ের বদলে যাওয়া খুশির দিনই আমাদের Story of Happiness
Monday, July 14, 2025
Monday, June 30, 2025
A Pictorial Story of Happiness
Thursday, May 22, 2025
Sunday, May 18, 2025
Thursday, March 27, 2025
দুই দিনে ইফতার করেছেন ২৬০জন মেহমান
সম্মানিত ডোনারদের শেয়ার করা ইফতার দিয়ে ২৬শে মার্চ আমরা ১৭০জন মেহমানের জন্য ইফতার আয়োজন করেছিলাম কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর মমিনগঞ্জ গ্রামে।
ইফতার মেন্যুতে ছিলো অল্প পরিমান গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি, খেজুর, শসা আর শরবত।
২৪শে রমজান(২৫শে মার্চ) আমাদের ইফতার আয়োজন ছিলো কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর কাচারি পয়ড়াডাঙ্গা গ্রামে। এদিন আমাদের মেহমান সংখ্যা ছিলো ৯০জন।
ইফতার মেন্যুতে ছিলো অল্প পরিমান গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি,ডাল, খেজুর, শসা আর শরবত।
আমরা ডোনারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি
২৫দিনে মোট ইফতার করেছেন ২৫২৩জন মেহমান