We have helped BDT 5.2Million, which is equal to 1857tk help/day

Monday, January 15, 2018

হালিমা খাতুন থেমে যাননি




সবজি বিক্রেতা হালিমা খাতুন। কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার গাছতলা ঘাট বাজারে সকাল বেলা সবজি বিক্রি করেন পরিবারে বাড়তি কিছু রোজগারের আশায়। ঘর সংসারের কাজ তো রয়েছেই। বাংলাদেশে মহিলারা বাইরে কাজ করলেও গৃহের সব কাজ তাদেরকেই করতে হয়। 

মাত্র ১ হাজার টাকা দিয়েও যে কাউকে উপার্জনে সহায়তা করা সম্ভব সেটা জানা হতোনা যদি না হালিমা খাতুনের সাথে কথা না হতো।
ছোট্ট একটা দুর্ঘটনা হালিমা খাতুনের জন্য বড় কষ্টের কারন হয়ে দাঁড়ায়। সবজি বিক্রির ৫০০০ টাকা চুরি হয়ে যাওয়াতে সবজি কেনার মূলধনটাই শেষ হয়ে গেছে মুহূর্তেই। হালিমা খাতুনদের কেউ ঋণ দিতে চায় না (সুদের) শর্ত ছাড়া। 
আমরা উনাকে টাকাটা ধার দিতে চেয়েছি সবজির ব্যবসাটা যেন থেমে না যায়। কিন্তু অবাক করা বিষয় উনি আমাদের কাছে ধার নিয়েছেন মাত্র ১ হাজার টাকা। কারণ হালিমা খাতুন ঋণী হতে ভয় পান। ১ টাকাও বাড়তি দিতে হবেনা এটাই তাঁর কাছে বিরাট ব্যপার তার উপর যতো দিনে খুশি ততো দিনে ফেরত দিলেই চলবে এটা শুনে মনে হল ভুল কিছু শুনছেন। আমরা চাচ্ছিলাম উনি নিজেই ঠিক করবেন কত করে ফেরত দিবেন। উনি খুশি মনেই বললেন প্রতিদিন ১০ টাকা করে ফেরত দিয়ে দিবেন ১০০ দিনে ১০০০ টাকা।
গত ২৬ শে ডিসেম্বর টাকাটা দেওয়ার পর একদিন ও উনি টাকা ফেরত দিতে ভুল করেন নি। ১ টাকা ফান্ডের  জন্য একটা শিক্ষণীয় ব্যপার যে, মানুষকে বিপদের সময় সাহায্য করলে সেটা যত কমই হউক মানুষ সেটা মনে রাখে।
এই অল্প টাকা দিয়ে আমরা কোন বাহবা চাইনা, কিন্তু এতো অল্প টাকা দিয়েও যে একজনের বিপদে পাশে দাঁড়াতে পেরেছি(হালিমা খাতুন থেমে যাননি ) এতেই আমরা খুশি।
আপনিও আসুন আমাদের সাথে, অসহায় মানুষের বিপদে অল্প হলেও সাহায্য করে তাদের জীবনে Story of Happiness এর গল্প বানাতে।  



Sunday, January 14, 2018

New Donor on 14th January

Salma Akther Rupa 
&
Nibir Hossain Sajib

Our New Donors. Both of them joined as DF02 Type Donor.

Best Wishes for Joining us to Help others.

Thursday, January 11, 2018

Two new Donor

S M Didarul Abedin & Sabrina Sultana Joined One Taka Fund.

Both of them joined as DS01 Type Donor but they donated for 12months instead of 6months.

They are the 177th and 178th Donor of One Taka Fund.




We are grateful to them for trusting One Taka Fund for helping others.


Account Information


Md. Arifur Rahman

A/C#  2101152828001

Principal Branch, Dhaka 

 
City Bank Limited

--------------------------------------------------


Md. Arifur Rahman
 
A/C#  148.101.3203

Ring Road Branch, Dhaka


Dutch Bangla Bank Ltd

------------------------------------------------

Md. Arifur Rahman 
A/C#  012012200036420

BiswaRoad Branch, Dhaka


First Security Islami Bank

----------------------------------------------------
 

Habib Telecom Corner 
A/C# 4101202602061001

Mymensingh Branch


Brac Bank

----------------------------------------------------

Md. Arifur Rahman

Bkash 01730318177

Roket 01730318177-0



Paypal Account:
ringku_csesust@yahoo.com

------------------------------------------------------

Please inform us when you donate any amount:
Cell: 01730318177
Email:  arif2ksust@gmail.com 
              arif.rahman@dse.com.bd
              onetakafund@gmail.com 

Wednesday, January 10, 2018

Shahab Uddin Ahmed is our New Donor


We are Happy to inform you that we have a new DF type Donor.


Shahab Uddin Ahmed Joined One Taka Fund as DF06 Type Donor, i.e he is donating on behalf of six members.

We are Thankful to Mr. Shahab Uddin for his Trust & Confidence in One Taka Fund.

New Donor on 10th January


We have three new Donors on 10th January 2018:

Syed Md. Raquib Uddin
Rajib Sarker
Nazmus Sakib

All of them joined as DS01 Type Donor of One Taka Fund.

We are thankful to them for Joining us to Help others.

Special Thanks to Abdul Kader Khondokar(8th Donor) & Imran Hosan(9th Donor) to motivate them for Joining One Taka Fund.


Tuesday, January 9, 2018

মোঃ শফিকুল ইসলাম এখন আর বেকার নন



মোঃ শফিকুল ইসলাম, পেশায় রাজ মিস্ত্রী । বয়সের কারনে আগের মতো বেশী পরিশ্রম করতে পারেন না বলে এখন আর প্রতিদিন কাজ ও পান না। যেদিন কাজে যান সেদিন কিছু আয় হয়, আর বাকী দিন গুলোতে বেকার বসে থাকতে হয় বাড়িতেই। আয় রোজগার কমে যাওয়ায় বয়সের সাথে সাথে মানসিক ভাবেও দুর্বল হয়ে গেছেন । বেশ কিছু ঋণ ও করেছেন মানুষের কাছে। সপ্তাহে ২/১ দিন কাজ যা পান তা দিয়ে সংসার চালানোই দায় যেখানে সেখানে তো ঋণ শোধ করা কল্পনা প্রসূত ব্যপার।

আমাদের কাছেও শুরু তে তিনি কিছু টাকা সাহায্যই চেয়েছিলেন, কিন্তু আমরা চাচ্ছিলাম উনি কিছু একটা কাজ করুক বেকার বসে না থেকে। কাজ কি করবেন সেটাও ভাবছিলেন কারন উনি তো রাজ মিস্ত্রির কাজ ছাড়া অন্য কিছু কখনো করেন নি। খুশির ব্যপার হচ্ছে উনি নিজেই বুদ্ধি করে বের করলেন আড়ত/চক থেকে মাছ কিনে এনে বাজারে এনে বিক্রি করবেন। 

আমরা উনাকে ৫০০০ টাকা দিয়েছি One Taka Fund থেকে মাছ বিক্রির জন্য। সেই টাকা থেকে ৩০০০/৩৫০০ টাকার মাছ কিনে এনে বাজারে বিক্রি করলে উনার ৩০০/৩৫০ টাকা লাভ থাকে প্রতিদিন। সময়টা ও খুব বেশী না, সকাল ১১ টার মধ্যেই উনার মাছ বিক্রি হয়ে যায়। শারীরিক পরিশ্রম টাও রাজ মিস্ত্রির কাজের তুলনায় অনেক কম হয়। তবে রাজ মিস্ত্রির কাজে আয় বেশী হয়, ৫০০ টাকা প্রতিদিন। তাই যেদিন উনি কাজ পান সেদিন উনার আসল পেশাটাই বেছে নেন, কাজ না পেলে মাছ বিক্রি করেন।
মোঃ শফিকুল ইসলাম এখন আর বেকার নন এটাই আমাদের প্রাপ্তি। উনিও আমাদের টাকাটা ফেরত দিয়ে দেবেন আস্তে আস্তে, যদিও আমরা তাঁকে কোন রকম জোর করছি না, উনার যেভাবে সুবিধা, যতো দিনে সুবিধা হয় তত দিনে দিবেন।

আরেকটা কাকতালীয় খুশির খবর না বলে পারছিনা। মোঃ শফিকুল ইসলাম এখন আগের চেয়ে কাজ বেশী পাচ্ছেন কোন কারন ছাড়াই। এছাড়াও উনার মানসিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো কারন উনি জানেন উনি এখনও উপার্জন করতে সক্ষম, রাজ মিস্ত্রির কাজ না পেলেও উনি বেকার নন।

এটাই Story of Happiness for One Taka Fund